সন্তানের সাথে কেমন আচরণ করা প্রয়োজন your child education
সন্তানের সাথে কেমন আচরণ করা প্রয়োজন এবং তাদের সাথে খারাপ আচরণ হলে সন্তানের কি রকম বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে এবং তাদের মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে আমাদের সঠিক করণীয় কি সেই সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। শিশুর সাথে আচরণ
মা-বাবার প্রথম দায়িত্ব হলো শিশুর সাথে সঠিক নিয়মের সঠিকভাবে আচরণ করার কারণ আপনার সামান্য বলে আপনার শিশুর মানসিক বিকাশে মারাত্মকভাবে আঘাত হানতে পারে যা পরবর্তীকালে বিভিন্ন সমস্যার জন্য দায়ী। তাই আপনার শিশুর সাথে আপনি কিভাবে আচরণ করবেন সেই সম্পর্কে আপনার সচেতন থাকা আবশ্যক। আপনার শিশুর সাথে কখনোই খারাপ ব্যবহার করা যাবে না তাদেরকে সব সময় একটি বিষয় এর সাথে পরিচয় করতে হবে তা হল সহানুভূতি আর এই সহানুভূতির সাথে তাদের সাথে সকল প্রকার আচরণ করতে হবে বিরক্তিকর ভাবে তাদের সাথে কোন প্রকার আচরণ করা যাবে না যা তাদের মানসিক বিকাশে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
যেমন ধরেন আপনার শিশুর সাথে আপনি কখনোই রাগান্বিত সুরে কথা বলতে পারবেন না নিজেকে সবসময় এ বিষয়ে কন্ট্রোল রাখতে হবে শিশুর সাথে রাগান্বিতভাবে কথা বললে একটি শিশুর মনে বিভিন্ন ভয়-ভীতি তৈরি হয়ে যা আপনার প্রতি আপনার শিশু বিরূপ মনোভাব তৈরিতে পরবর্তীতে প্রভাব ফেলবে।
কারাব আচরণ করেছেন যার কারণে আপনার শিশুর মনে আপনার প্রতি একটি বিরূপ মনোভাব তৈরি হবে যেমন আপনি তার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছেন তার মাধ্যমে প্রমাণ হয় আপনি একজন খারাপ লোক যার কারণে আপনার শিশুর মনে আপনার প্রতি খারাপ মনোভাব তৈরি হবে যা কখনো একটি শিশুর জন্য ভালো না কারণ একজন পিতা মাতা তার শিশুর জন্য আদর্শ। আর এই আদর্শকে ফুটিয়ে তোলার জন্য আপনাকে সব সময় শিশুর প্রতি ভালো আচরণ করতে হবে যা তার মানসিক বিকাশে আপনার প্রতি শ্রদ্ধানুভূতি তৈরি হয় আপনার প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয়।
শিশুর সাথে যা যা করা যাবে না
তখনই আপনি আপনার শিশুর সাথে রাগান্নিদসরে কথা বলবেন না শিশুকে কোন একটি বিষয় বোঝাতে হলে দীর্ঘ সময় নিয়ে ধীরে ধীরে বোঝান কারণ এতে করে তার বিষয়টি বুঝতে খুব সহজ হবে কারণ তার কোমল মন বিষয়টি বুঝতে অনেক সময় নিবে কারণ তার ব্রেন বিকাশ এখনো সঠিক নিয়মে হয়নি বা সঠিকভাবে হয়নি
তাই কোন কিছু বোঝাতে হলে শিশুকে সময় নিয়ে বারে বারে বুঝান এতে করে শিশুর মানসিক বিকাশ সঠিকভাবে বেড়ে উঠবে আপনি যদি শিশুকে একই বিষয় খুব দ্রুতভাবে এবং তার উপর চাপিয়ে দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন তাহলে সেটা তার জন্য মোটেও ভালো বিষয় নয়। কারণ আপনি আপনার শিশুর প্রতি মানসিক অত্যাচার করছেন কোন একটি বিষয় শেখানোর জন্য কিন্তু শিশুর কোমর মন বিষয়টি শেখার জন্য প্রস্তুত নয় আর আপনি যদি সেক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগ করেন তাহলে সেটা এক ধরনের মানসিক অত্যাচার যা আপনি আপনার শিশু ক্ষতি করছে তাই কোন কিছু শেখানোর আগে অবশ্যই বুঝে নিতে হবে বিষয়টি তার জন্য উপযুক্ত কিনা এবং সে বিষয়টি বুঝেছে কিনা যদি না বুঝেই তাকে বিষয়টি শেখানোর চেষ্টা করেন মানসিক বিকাশ তো হবে না বরং মেমোরি কিছু জায়গা দখল করে নিবে এই মুখস্থ বিদ্যাপী।
শিশুকে কেন মারা যাবে না
আমরা অনেক সময়ই শিশুদের প্রতি শারীরিক নির্যাতন করার চিত্র দেখতে পাই আমাদের সমাজে কিন্তু একটি শিশু শারীরিক ও মানসিক বিকাশে এই বিষয়টি সবচেয়ে খারাপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে যা পরবর্তীতে একটি শিশুর ভবিষ্যতে বিভিন্ন সমস্যা তৈরিতে প্রধান ভূমিকা রাখে। ধরেন আপনি আপনার শিশুকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে কোন একটি বিষয় শিখাতে চাচ্ছেন এক্ষেত্রে তাকে দুটি বিষয় একই সাথে প্রয়োগ করা হচ্ছে তাহলে কষ্ট এবং শিক্ষা যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় কারণ দুটি বিষয় সম্পূর্ণ আলাদা আপনি কখনোই একসাথে দুটি বিষয় থাকে শেখাতে পারবেন না। একটি শিশুকে শিক্ষার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে দীর্ঘ সময় নিয়ে ধীরে ধীরে তার সাক্ষাতে হবে কোনভাবেই মারপিট করে শেখানো যাবে না কারণ এতে বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় দেখা দিবে। যদি আপনি মারপিট করে আপনার শিশুকে কোন কিছু শেখাতে যান তাহলে সেই শিশুটি হয়তো বর্তমানে সেই বিষয়টি খুব ভালোভাবে মুখস্ত করে নিতে পারবে কিন্তু পরবর্তীতে তার সেটি মনে থাকবে না কারণ সেটি সে নিজের ইচ্ছায় গ্রহণ করেনি তার থেকে সেটি ডিলিট হয়ে যাবে তাই কোন কিছু শেখানোর আগে অবশ্যই বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে আমরা একটি শিশুকে যা শেখাচ্ছি তা নিয়ে বিশ্বাসী যদি গ্রহণ করছে কিনা।
শিশুর প্রতি যদি আমার মানসিক শারীরিক নির্যাতন করে কোন একটি বিষয় শেখাতে যায় তাহলে সে বিষয়টি শিখতে পারবে কিন্তু বিষয়টি থেকে সে কোন কিছু উপলব্ধি করতে পারবে না যেমন আপনি আপনার শিশুকে যদি মারপিট করে কোন কিছু শেখাতে যান তাহলে পড়ালেখা মানুষদের মারপিট তার মানে সেটা সে প্রথমে শিখতে পারবে আপনি যদি আপনার শিশুকে মার্কেট করে পড়ালেখা করাতে চান তাহলে সে প্রথমত শিখবে পড়ালেখা মানে কষ্ট পড়ালেখা মানে হলো মারপিট কখনোই সে প্রথমেই শিখবে না পড়ালেখা মানে জ্ঞান অর্জন পড়ালেখা মানেই জ্ঞান চর্চা তাই কখনো মার্কেট করে সন্তানকে লেখাপড়া করানো সম্ভব না আপনাকে অবশ্যই লেখাপড়া করা কেন প্রয়োজন এবং লেখাপড়া কেন করতে হবে সেই বিষয়ে ভালোভাবে বুঝাতে হবে।