বাংলাদেশে বেকার সমস্যার আসল কারণ ও বিসিএস এর প্রতি ভালোবাসা | Unemployment in Bangladesh

 বাংলাদেশে খুব রিসেন্টলি বেকারত্বের হার আবারও বৃদ্ধি পাওয়া শুরু করছে বিশ্বব্যাংকের ২০২০ সালের হিসাব মতে বাংলাদেশে ২০২০ সালে বেকারত্বের হার ৫.৪% ছিল যেখানে ২০১৯ সালে এইটা ছিল মাত্র ৪.৪% This is the time when বাপের হোটেলে খাওয়া-দাওয়া has become a serious problem ভয়াবহতাটা আরো ভালো ভাবে বুঝতে পারবেন যখন আমাদের চেয়ে অর্থনীতিতে কয়েক ধাপ পিছনে থাকা পাকিস্তানেও এই বেকারত্বের হার আমাদের চেয়ে কম মাত্র ৪.৩% নেপালে এইটা ৪.৭% ভুটানে ৩.৬% এমনকি মায়ানমারে এইটা মাত্র ১.১% সেখানে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই বেকারত্বের হার ছিল ৫.৪% বাংলাদেশে বেকার সমস্যার পিছনে আসলে কারণগুলা কি কি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারে কলেজগুলো থেকে কেনো প্রত্যেক বছর এতো বেশি পরিমানে বেকার প্রোডাকশন হচ্ছে, বিশ্বের অন্যান দেশ এই বেকার সমস্যা মোকাবেলায় কি মডেল অনুসরণ করছে এই পুরা বেপারটাই আমি আজকের এই ভিডিওতে আলোচনা করবো তো চলুন শুরু করা যাক প্রথমে চলেন তো দেখি বাংলাদেশের বেকার সমস্যার বর্তমান চিত্রটা আসলে কিরকম বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে BIDS এর একটা জরিপ বলতেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারে যে কলেজেগুলা আছে ঐগুলা থেকে যে ছাত্ররা বের হচ্ছে ওদের ৬৬%, অর্থাৎ ৩ ভাগের ২ ভাগই বেকার থাকতেছে মাত্র ৭% শিক্ষার্থী অন্য কোনো বিষয়ে গ্রাডুয়েশন করছে অথবা প্রশিক্ষণ নিতেছে ৩% শিক্ষার্থী নিজের উদ্যোগে কোনো না কোনো কিছু করতেছে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে যারা বেকার তাদের ৬২% ই হইতেছে ব্যবসায় ও প্রশাসন ছাড়া অন্যান্য যে বিভাগগুলো আছে ওই বিভাগের সো যারা IBA তে পড়তেছে ওদের লাকটা এখানে খুবই ভালো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই অভিযোগ করছে যে ওরা গ্রাডুয়েশনের পরে কোথায় চাকরি করবে এই ব্যাপারে ওরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ধরণের সহযোগিতা পায় না মাত্র ৩% শিক্ষার্থী বলছে ওদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি খোঁজার সুবিধাটা আছে আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এখন প্রায় ২০ লাখের মতোন শিক্ষার্থী আছে একটু যদি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যায় থেকে বের হই আমাদের বাংলাদেশের চাকরির বাজারে প্রত্যেক বছর এখন ২০-২২ লাখ তরুণ জয়েন করছে ব্রিটেনের একটা সাময়িকী 'Economist', খুবই বিখ্যাত ওরা ওদের একটা প্রতিবেদনে বলছে বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা নেয়ার পরে যে তরুণরা চাকরি চাইতে আসে ওদের মধ্যে অর্ধেকই বেকার থাকছে অথবা ওরা যেই টাইপের চাকরি চায় ঐ টাইপের চাকরি পাচ্ছে না প্রতিবেদনটাতে বলা হয় েবাংলাদেশে গ্রাজুয়েট করা ৪৭% শিক্ষার্থী বেকার থাকছে যেখানে ইন্ডিয়াতে এই হারটা মাত্র ৩৩%, পাকিস্তানে ২৮%, নেপালে ২০% আর শ্রীলংকায় মাত্র ৭.৮% সো বুঝতেই পারছেন আমাদের চাইতে আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলাতে বেকারত্বের হার কম শুধু ওয়ার্ল্ড ব্যাংকার জরিপ অনুযায়ী ইন্ডিয়াতে আমাদের চেয়ে বেকারত্বের হারটা বেশি ছিল প্রায় ৮% এর মতো bdjobs.com এর প্রধান নির্বাহী ফাহিম মাসরুর বাংলাদেশের এই বেকার সমস্যার পিছনে মূলত ৩ টি কারণকে দায়ী করছে প্রথম কারণটাতে একটা মজার প্যারাডক্স আছে প্যারাডক্সটা হইলো চাকরির বাজারে যেই টাইপের চাকরির চাহিদা আছে ওই টাইপের মানুষ ওরা পাচ্ছে না আবার প্রত্যেক বছর যেসব শিক্ষিত লোক চাকরির বাজারে যুক্ত হচ্ছে ওদের উপযোগী কোনো চাকরি নাই পুরা জিনিসটা আসলে একটা লেইম সিস্টেমে চলতেছে এই বেপারটার সাথে একটা লেইম জোক খুব যায় (crowd) ইরশাদ ইরশাদ! বলে ফেলেন (২) *clears throat* আপনার যদি মনে হয় USA খুব বড় একটা কিছু (crowd) আহা (৪) কেয়া বাত (২) আপনার যদি মনে হয় USA খুব বড় একটা কিছু (someone) ইরশাদ ইরশাদ তাইলে আপনি USB কেনো আবিষ্কার করতে গেছেন (someone)তালি হবে, তালি কই, তালি কই, তালি তালি তালি সাব্বাশ ঠিক একই ভাবে লেইম কিছু লজিকে গত ১০ বছরে বাংলাদেশে গ্রাডুয়েশন করছে; এইরকম শিক্ষার্থীর সংখ্যা ডাবল হয়ে গেছে কারণ আপনি দেখেন আমাদের দেশে “সরকারি বেসরকারি” দুই টাইপেরই ইউনিভার্সিটির সংখ্যা অনেক বাড়ছে আগে যেইখানে ১০ বছরে মাত্র ২-২.৫ লাখের মতো শিক্ষার্থী গ্রাডুয়েশন করতো বিভিন্ন উনিভার্সিটি থেকে ওই সংখ্যাটা এখন ৪-৫ লাখে উন্নীত হয়েছে জাস্ট এই ইউনিভার্সিটির সংখ্যাটা বাড়ার কারণে তো আমাদের যে আর্থসামাজিক একটা প্রেক্ষাপট আছে ঐখানে আমাদের এইযে শিক্ষিত মানুষজন বেকার যারা আছে ওরা তো বিভিন্ন অশোভন কাজ করতে চায় না ওদের একটা স্টেটাস আছে কিন্তু ওরা যেই টাইপের চাকরি চাচ্ছে, ওই টাইপের চাকরির সুযোগই তৈরি হচ্ছে না তাইলে এখানে প্রশ্ন আসে, বাংলাদেশে কোন কোন এরিয়াতে চাকরির সুযোগটা বাড়তেছে ২ টা এরিয়া একটা হচ্ছে উৎপাদনশীল,আরেকটা হচ্ছে কৃষিখাত কিন্তু এই দুই খাতে কারিগরীভাবে দক্ষ লোকের চাহিদা অনেক বেশি rather than আমরা যে শিক্ষিত বেকার প্রডিউস করতেছি তাদের থেকে এর পরবর্তীতে আমাদের কদমফুল লোক চলে আসার কারণে এই শিক্ষিত যুবক বেকাররা, যারা নিজেদের উদ্যোগে কোনো ব্যবসায় দাঁড় করিয়েছিলেন ঐগুলাও কিন্তু বন্ধ হয়ে গেছে এইটাও কিন্তু দেশে শিক্ষিত বেকার তৈরী হওয়ার পিছনে অন্যতম একটা কারণ ফাহিম মাসরুর এটাও বলেন, গত ৫-৭ বছরে তরুণরা আসলে কোন সেক্টরে যাবে চাকরি করতে এই পছন্দতেও একটা ব্যাপক পরিবর্তন আসছে একটি সময় এমন ছিল - আমাদের শিক্ষিত যে তরুণরা, তারা ভালো বেতনের আশায় বেসরকারি চাকরির প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়তো কিন্তু গত কয়েক বছরে সরকারি চাকরিতে এতো বেশি পরিমাণে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে এখন তরুণরা অধিকাংশ সময় সরকারি চাকরির প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয় এইটাকে আপনারা একটা ইতিবাচক দিক হিসেবেও দেখতেন পারেন কিন্তু উল্টা চিত্রটা হচ্ছে এইটার জন্য ওরা একটা আলাদা প্রস্তুতি নেয় ওই সময়টাতে ওরা নিজেদের ইচ্ছায়, voluntarily বেকার থাকতে পছন্দ করে এইটাও শিক্ষিত বেকার তৈরী হওয়ার পিছনে অন্যতম একটা কারণ তবে বেকার সমস্যাকেই যদি একপাশে রাখি আপনারা যারা এখন freelancing আর পার্টটাইম চাকরি খুঁজতেছেন তাদের জন্য খুবই কার্যকর একটা অ্যাপ হইতে পারে চেরাগ অ্যাপ freelancing, পার্টটাইম জব এবং টিউশন এইসব কিছুই এখন হবে একটা মাত্র অ্যাপে একটা কথা সবাইকে মনে করে দেই সবাই ভাবে freelancing মানে হচ্ছে কম্পিউটারের সামনে বসে কেও গ্রাফিক্স ডিজাইন করবে আর ওয়েবসাইট বানাবে ব্যাপারটা মোটেও এইরকম না আপনি যেকোনো চুক্তি ভিত্তিক কাজ করেন ছবি তুলেন, ছবি আঁকেন, গান গান, নাচেন এইসব কিছুই কিন্ত freelancing র ভিতরে পরে যেইটা থেকে আপনি টাকা আয় করতে পারবেন এই অ্যাপ এর মাধ্যমে সব থেকে বড় ব্যাপার এই অ্যাপটা সম্পূর্ণ ফ্রি ইউস করতে কোনো টাকা পয়সা লাগবে না আপনি যদি অন্যদেরকে জব দিতে চান সেই ক্ষেত্রেও কোনো কমিশন-টমিশন দেয়া লাগবে না এইটা টোটাললি ফ্রি আপনি নিজে যেমন এখানে কাজ খুঁজে টাকা আয় করতে পারবেন তেমনি আপনার কোনো দরকারে কাজের প্রয়োজন হইলে সেই কাজে এক্সপার্ট মানুষকে খুঁজে,তাকে দিয়ে কাজটা করায়ও নিতে পারবেন একাউন্ট খোলাটা খুবই সহজ শুধুমাত্র আপনার মোবাইল নম্বরটা দিবেন এতেই কাজ শেষ বিস্তারিত আমি ডেসক্রিপশন বাক্স আর পিনড কমেন্টের মধ্যে দিয়ে দিছি আপনারা চাইলে সেখান থেকে দেখে আসতে পারেন আর আমার এই লিংক থেকে ডাউনলোড করলে আপনি জয়েন করার সাথে সাথে ৫০০ কয়েন বোনাস পাবেন এটা অনেকটা গেমিং ফীল দিচ্ছে আমাকে যাইহোক কপালটা আজকে ঘামে *চিক চিক* করতেছে আপনাদের প্রশ্ন হইতে পারে কোনো দেশে এমন কোনো স্পেসিফিক মডেল আছে কিনা যেইটার মাধ্যমে ওরা ওদের বেকার সমস্যাটাকে মোকাবেলা করছে একটা খুবই বিখ্যাত মডেল যেইটা ১৯৯৭ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন adapt করছিলো এইটার নাম 'ইউরোপিয়ান এমপ্লয়মেন্ট স্ট্র্যাটেজি' বা EES এইটা কিভাবে কাজ করে? প্রথম ধাপ এইটাকে বলা হয় ইয়ুথ গ্যারান্টি এইটা বলে আপনার বয়স যদি ৩০ এর কম হয়ে থাকে এবং আপনি ৪ মাসের বেশি সময় ধরে বেকার থাকেন অথবা আপনি ফরমাল শিক্ষা ছেড়ে দিছেন এরকম একটা অবস্থা হয় তাইলে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের যেকোনো দেশ এইটা বাধ্য দিতে যে আপনাকে একটা ভালো জবের অফার কিংবা আপনার শিক্ষাটাকে আরো বেশি দিন যাতে আপনি কন্টিনিউ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা কিংবা কোথাও আপনি প্রশিকষণার্থী হিসেবে যোগ দিতে পারেন এই ব্যবস্থাটা ওরা আপনার পক্ষ থেকে করে দিবে এবং এইটা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের investment এর আন্ডারেই হবে ওরা ২০১৬ সাল থেকে 'নিউ স্কিলস এজেন্ডা' নামে একটা নতুন প্ল্যান চালু করে যেখানে সঠিক মানুষটা যাতে সঠিক ট্রেনিং পায় এবং সাপোর্ট পায়- এই ব্যাপারটার নিশ্চয়তা দেয়া হয় এবং ওরা ওদের এক্সিস্টিং কিছু টুলকেও রিভাইজ করে যেইটার মধ্যে আছে europass যেইটা ইউরোপিয়ান একটা কারিকুলাম ভিটা বা সিভি ফরম্যাট তৃতীয় ধাপ যেইটাকে বলা হইতেছে 'প্রমোটিং ওয়ার্কার্স মবিলিটি' এইটা আপনাকে বলতেছে ধরেন, Luxembourg এ আপনি অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করছেন কিন্তু আপনার দেশে এইটা নিয়ে ভালো কোনো ইন্ডাস্ট্রি বা চাকরি নাই সো ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কি করবে আপনাকে Luxembourg থেকে বলবে “তুমি জার্মানিতে যাও কিংবা অন্য কোনো ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশে যাও যেখানে তুমি চাকরি পাইতে পারো” সো এইভাবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশগুলোর ভিতরেই ওরা এমপ্লয়মেন্টের সুযোগটাকে কড়া করে নিশ্চিত করতেছে তবে এইটা আমাদের সাবকন্টিনেন্ট বা বাংলাদেশের মতোন দেশগুলোতে ইমপ্লিমেন্ট করা টাফ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন করতে পারছে তার কারণ ওরা ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন আরেকটা জিনিসকে বলা হয় 'লং-টার্ম আনএমপ্লয়মেন্ট' বা দীর্ঘ মেয়াদী বেকারত্ব সহজ কথায় ওরা বলতেছে আপনি যদি ১২ মাসের বেশি সময় ধরে বেকার থাকেন তাইলে আপনি একটা পার্মানেন্ট পোভার্টি বা স্থায়ী দারিদ্র্যের মধ্যে পরে যাবেন এইটার একটা বড় ধরনের সম্ভাবনা থাকে কারণ আপনি এতো বেশি সময় ধরে কোনো টাকা-পয়সা পাইতেছেন না তাইলে তো আপনার অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে এইটা এখনো কিছু কিছু ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশে অনেক বড় একটা সমস্যা এবং টোটাল বেকারত্বের প্রায় ৫০% এইটার কারণে হয়ে থাকে এই টাইপের বেকার মানুষদেরকে আলাদা ভাবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চিহ্নিত করে ওদের একটা ইন-ডেপথ অ্যাসেসমেন্ট করে এবং ওদের আলাদা করে টেক-কেয়ার নেয় ওরা যাতে ভালো একটা চাকরি পাইতে পারে এমনকি ২০১৮ সালে ইউরোপিয়ান সংসদ ওরা কিছু পদক্ষেপ নেয় যেইটার মাধ্যমে ওদের দেশগুলোতে শ্রমিকদের স্কিলসেট বা দক্ষতা উন্নীতকরণের জন্য কাজ নেয়া হয় এবং শ্রমিকদেরকে বিভিন্ন সাপোর্ট দেয়া হয় যেমন আপনার কোচিং স্টাফ দিবে কিংবা সাইকোলোজিস্ট কিংবা থেরাপিস্টের সাথে আপনার সাক্ষাতের ব্যাবস্থা করে দিবে এইরকম আরো অনেক কিছু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার 'আমার দেখা নয়াচীন' এই বইটাতে নয়া চীন আসলে কিভাবে বেকার সমস্যাটা মোকাবেলা করছিলো সে ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করছিলেন চায়না তাদের একদম শুরু দিকে বেকারত্ব দূর করার জন্য সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিছিলো কুটিরশিল্পের দিকে কাপড়ের যতগুলো কারখানা ছিলো ওদেরকে অর্ডার দেয়া হয়েছিলো তোমরা সুতা তৈরি করবা সেই সুতা সরকারি কর্মচারিরা যেয়ে যেয়ে গরীব তাঁতিদের কাছে বিলি করছে সেই তাঁতিরা এই সুতা দিয়ে কাপড় তৈরি করে সরকারি স্টোরে জমা করছে লক্ষ লক্ষ তাঁতি এভাবে বেকারত্ব থেকে মুক্তি পাইলো শুধুমাত্র তো কাপড়ই না টেবিল,চেয়ার, খাট এইসব জিনিসপত্র বানানোতেও কুটিরশিল্পে চীনের এতো প্রাধান্য দেয়াটা অনেক গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছে বঙ্গবন্ধু যখন নয়া চীনে গিয়েছিলেন তখন পর্যন্ত চীনে প্রায় ১৫ লক্ষের মতো বেকার ছিলো ওদেরকে সরকারি টেকনিক্যাল ট্রেনিং দেয়ার ব্যবস্থা করা হইছিলো কারোর ওইটা শেষ করতে ৬ মাস লাগবে, কারো ১ বছর লাগবে, কারোর এমনকি ৪ বছরও লাগবে আর ট্রেনিং হওয়ার সাথে সাথে ওদের কাজ মিলে যাবে আর ট্রেনিংয়ের সময় সরকার ওদেরকে একটা allowance দিবে যদিও এইটা সেই সময়ে তেমন একটা যথেষ্ট ছিলো না তারপরও চীন অনেক চেষ্টা করছে তখন ওরা বঙ্গবন্ধুকে এই কথাটা বলছিলো, "কমপক্ষে আর ৩ বছর সময় আমাদের লাগবে, ৩ বছর পর যদি কোনো দিন আসেন, তবে দেখতে পাবেন একটাও বেকার লোক নয়াচীনে নাই" ওদের প্রমিজটা কতো বড় ছিলো সেই সময়ে দেখেন অ্যান্ড আজকে চায়না কতো বড় একটা ইন্ডাস্ট্রি হয়ে গেছে এমনকি ওদের জন্য অন্যান্য দেশের বেকার মানুষরা অনেক কাজ পাইতেছে তবে তবে তবে আপনি চাকরি পেয়ে যতো বড়লোকই হয়ে যান না কেনো আপনার বাসার গেট যদি রাত ১১.৩০ মধ্যে বন্ধ করে দেয় তাইলে দারোয়ানের চাকরির চেয়ে বড় কোনো চাকরি বা ক্ষমতাধর চাকরি আর এই দুনিয়ার মধ্যে নাই এনায়েতঃ এই তোমাকে ছাড়া খেয়ে ফেলতেছি রাতুলঃ ওই জায়গায় সিট আছে আর, সমস্যা নাই এনায়েতঃ কারণ হইতেছে আমার বাসায় যেতে হবে ১১.৩০ এর আগে রাতুলঃ কেনো? এনায়েতঃ বাসায় গেট লাগায় দেয় আমাদের দেশে শিক্ষিত বেকার তৈরির অন্যতম একটা কারণ হইতে পারে আমাদের শিক্ষকদের বেতন প্রচণ্ড কম কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা আছে এমন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের বেতনের একটা comparison ২০২০ সালে আসছিলো এইটার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেতন পায় Luxembourg এ প্রায় ১০১,৩৬০ ডলার আর এই লিস্টে একদম লাস্টের দিকে থাকা কলম্বিয়াতেও একজন প্রাইমারি স্কুলের টিচারের বেতন ৩৯,৯৬১ ডলারের মতো আপনারাই টাকাতে কনভার্ট করে দেখেন বাংলাদেশের সাথে compare করলে কি হয় প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকারও উপরে By the way Colombia হচ্ছে শাকিরার দেশ এতো গরীব ভাইবেন না বাংলাদেশে যখন national pay scale 2015 পাশ হয় তখন সব শিক্ষকদের বেতন 13th grade এর আন্ডারে আনা হয় যেইটার Monthly ১১ হাজার থেকে ২৬,৫৯০ টাকার মতো কিন্তু তারপরও বুঝতে পারতেছেন অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের দেশে শিক্ষদের বেতন কতটা কম এর মধ্যে স্পেশালি আমরা ইউনিভার্সিটি টিচারদের বাদ দেই মূলত কলেজ আর স্কুল টিচারদের কথা আমরা বলতেছি ইউনিভার্সিটি টিচাররা মোটামুটি ভালোই টাকা পয়সা পায় সো সব মিলায় এই ভিডিওতে যেটা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হইছে বাংলাদেশে একচুয়ালি কেনো এতো বেশি পরিমাণে শিক্ষিত বেকার তৈরি হচ্ছে এর পেছনে রিজনগুলা আসলে কি কি বাইরের দেশে এমন কোন মডেল ওরা adapt করছে যেই কারণে ওরা বেকারত্বকে অনেক ভালো ভাবে মোকাবেলা করতে পারছে এইখানে আমরা ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং চীন এই দুইটা জায়গার এক্সাম্পল দেখলাম আর সবশেষে অন্যান্য দেশের শিক্ষকদের বেতনের সাথে বাংলাদেশের শিক্ষকদের, স্পেশালি প্রাইমারি কিংবা মাধ্যমিক, বেতনটা কতোটুকু কম এই ব্যাপারটা আলোচনা করা হইছে সো আজকের ভিডিও মোটামুটি এই পর্যন্তই আমি সাধারণত প্রতি বুধবার বিকাল ৫ টায় ভিডিও আপলোড করে থাকি তবে এইটা এক্সট্রা ভিডিও ছিলো আপনার যদি চ্যানেলের কনটেন্টগুলো ভালো লাগে আপনি সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন এবং পাশে থাকা বেল আইকনটা প্রেস করতে কখনোই ভুলবেন না এবং সব সময় বাসায় ১১.৩০ টার আগে পৌঁছাবেন নয়তো আপনারও গেট বন্ধ করে দিতে পারে সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ আল্লাহ হাফেজ

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url